জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং মধ্যরাতে ফের তাদের উপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক রায়হান রাইন বলেন, নিরাপত্তাহীনতায় আছি আমরা। জীবনের মায়া ত্যাগ করে ন্যায্য আন্দোলনের সাথে যুক্ত আছি। রাতে ফের হামলা হতে পারে এমন আশংঙ্কায় আছি।
এদিকে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন চত্বরে অবস্থান নিয়েছেন এবং সাধারণ ছাত্রদের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। সকল বাধা অতিক্রম করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
অন্যদিকে হামলাকারী ছাত্রলীগের একাংশ অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানার নেতৃত্বে আবারো হামলা হতে পারে এমন খবরে আতঙ্কিত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
প্রসঙ্গত, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা নবম দিনের মতো সকালে ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন। তারা সকালে উপাচার্যের বাসভবন অবরোধ করলে সেখানে উপাচার্যপন্থী কয়েকজন শিক্ষক আসেন। তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করে চলে যাবার পর দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ২০/২৫ জন আহত হন।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়।
