আ’লীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভার মঞ্চ থেকে সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দীন আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনা জানতেন না দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই আমি এ ঘটনা জানতে পেরেছি।’ আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এ ঘটনা জানার পরে বর্তমান মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। মেয়র তাকে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কোন কোন নেতা মঞ্চে বসবেন সে ক্যাটাগরি ভাগ করা ছিল, সেখানে মহিউদ্দীনের স্ত্রীর নাম ছিল না।’ কিন্ত জানলে নিজের সামনে এ ঘটনা ঘটতে দেওয়া হতো না বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে যখন কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রামণিত হবে এবং কারো দণ্ড হবে তখন তাকে দল থেকে বহিষ্কার করব। অভিযোগ প্রমাণ না হলে শাস্তি কিভাবে দেব?’
এমপিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে ফলে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি মনে করি না ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় সরকারের সৎ সাহস প্রমাণ হচ্ছে। সরকার অপরাধীদের শাস্তি দিচ্ছে সেটি বড় বিষয়। আমি মনে করি সরকার ও দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে।’
আওয়ামী লীগের সম্মেলন বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারিত আছে। যুবলীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি কমিটি তদারক করবে। আমরা দলের পক্ষ থেকে মনিটর করব। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চারটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন একই মঞ্চে হবে। ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।’
এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে গণফোরাম নেতাদের সাক্ষাতের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনুমতি দিলে কোনো বাধা থাকবে না বলেও জানান তিনি।
