প্রতিটি ঘটনারই থাকে দুইটি দিক, আলোকিত ও আঁধার পিঠ। মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে যাতে ইলিশের সংখ্যা বাড়ে। এজন্য জেলেদের ২০ কেজি করে চাল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেয়া হয়েছে, তবে থেমে নেই ইলিশ নিশন। প্রশাসনের কড়া নজরদারি এড়িয়ে সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত ট্রলারের বাতি নিভিয়ে পদ্মায় ধরা হচ্ছে ইলিশ।
রাজশাহীর চারঘাটে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের জেলেরা বলছেন, পেটের দায়েই তারা এই কাজ করছেন। ক্ষতিপূরণ হিসেবে যা সরকারী সাহায্য দেয়া হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। তাই বাধ্য হয়েই তারা ইলিশ ধরা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মৎস্য ব্যবসায়ী আকতার জানান, ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রামের প্রতি কেজি ইলিশ ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের প্রতি কেজি ইলিশ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং কেজি সাইজের ইলিশ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাঘা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, হাট-বাজারে কোথাও ইলিশ বিক্রি হয় না। তবে কিছু জেলে চুরি করে ইলিশ ধরে বিক্রি করছে।
