ভারত সফরকে সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অনুশীলন ক্যাম্প। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয় বাংলাদেশ দলের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি। ক্যাম্পের প্রথম দিন থেকেই দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন স্পিন বোলিং কোচ নিউজিল্যান্ডের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ড্যানিয়েল ভেট্টোরি। কিন্তু প্রস্তুতি ক্যাম্পের প্রথম দিনে ছিলেন না অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে অনুশীলনের দ্বিতীয় দিন ফিরেছেন টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক। শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় অনুশীলন শুরুর কথা থাকলেও এ অলরাউন্ডার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের চলে আসেন ঘণ্টা খানেক আগেই। ড্রেসিংরুমে কিটস রেখেই চলে যান বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরীর কক্ষে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি টেলিকম কোম্পানির সঙ্গে নিয়মবহির্ভূত চুক্তি করার অভিযোগে সাকিবের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বিসিবি। সংবাদমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পরপরই বোর্ডের সিইও’র সঙ্গে আলোচনায় বসলেন এ অলরাউন্ডার। গত ২২ অক্টোবর টেলিকম কোম্পানি গ্রামীণফোনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। কিন্তু খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিসিবির চুক্তি অনুযায়ী, একজন জাতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ কোনো খেলোয়াড় টেলিকম কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন না। এধরণের চুক্তিতে ক্রিকেটাররা লাভবান হলেও ক্ষতি হয়েছে বোর্ডের উল্লেখ করে গতকাল এক জাতীয় দৈনিককে দেয়া সাক্ষাতকারে বিসিবি বস পাপন বলেছিলেন , ‘এরকম কিছু হাওয়ায় ক্রিকেটাররা হয়তো লাভবান হয়েছিল কিন্তু বোর্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে। এরপরই আমরা চুক্তিতে স্পষ্ট বলে দেই কোন টেলিকম কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হওয়া যাবেনা বোর্ডের অনুমতি ছাড়া। এমনকি মন্ত্রণালয় থেকেও এমনই বলা আছে। তাহলে সে কীভাবে আমাদের না জানিয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়?’
