আত্মহত্যার পর চিরকুট উদ্ধারের ১০দিনের মাথায় সিলেটের বিশ্বনাথে চাঞ্চ্যলকর পপি গণধর্ষণ মামলার রহস্য উন্মোচন করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) ও দ্বিতীয় আসামি বারিক মিয়া (৩৭) গণধর্ষণের দায় স্বীকার করেছেন। ধর্ষক জাহাঙ্গীর পপির বোনজামাই ফয়জুল ইসলামের পাশের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেতলী চেরাগী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে। বারিক মিয়াও একই গ্রামের আব্দুল মনাফের ছেলে। আর গণধর্ষণের শিকার হয়ে আত্মহননকারী ২১ বছর বয়সী পপি বেগম সিলেটের বিশ্বনাথের লালটেক গ্রামের দরিদ্র শুকুর আলী ও জোস্না বেগম দম্পতির তৃতীয় মেয়ে।
৮ দিন রিমান্ডে থাকার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেটের জ্যুডিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান ভূঁঈয়ার কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেন তারা। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর শুক্রবার সিলেটের জ্যুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বেগম নওরিন করিম পৃথকভাবে দুজনের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে জবানবন্দির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্বনাথ থানার ওসি (প্রশাসন) শামীম মুসা ও মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) রমা প্রসাদ চক্রবর্তি।
