কুমিল্লায় তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শিশুটির নাম মেহেদী হাসান (১০)। সে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার হালিমানগর এলাকার সাতরাচম্পকনগর গ্রামের প্রবাসী আলমগীর হোসেনের ছেলে এবং নর্থ সাউথ চাইল্ড একাডেমীর তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৯টায় বাসার পাশে তার লাশ পায় স্বজনরা। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
এ ঘটনায় গতকাল রোববার পুলিশ হৃদয় নামে এক যুবককে আটক করেছে। নিহতের চাচা আব্দুল হান্নান জানান, মেহেদী হাসান পাশের বাড়ির বিউটি আক্তারে নিকট প্রাইভেট পড়তো। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল রাত ৭টায় প্রাইভেট পড়তে যায় মেহেদী। রাত সাড়ে আটটায় বাসায় না ফেরার কারণে শিক্ষকের বাসায় খোঁজ করে জানতে পারে শিক্ষক বিউটি শিশুটিকে গেইটের ভেতরে দিয়ে এসেছে। প্রায় আধা ঘন্টা খোঁজাখুঁজির পর তাকে বাড়ির পাশে ডোবায় গলাকাটা ও ঘাড়ে ৭/৮টি কোপসহ রক্তাক্ত অবস্থায় নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্বজনরা ।
সেখান থেকে স্বজনরা দ্রুত কুমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটিকে দেখার জন্য হাসপাতালে উৎসুক জনতা ভিড় করে। তিনি আরো জানান, কিছুদিন পূর্বে তাদের বাসায় মোবাইল টাকা পয়সাসহ স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। সেই ঘটনার সাথে হয়তোবা এই ঘটনার সূত্রপাত থাকতে পারে। কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আনোয়ারুল হক বলেন, এ বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেয়ার চেষ্টা করছি। কীভাবে কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখছি। আশা করি শিগগিরই ঘাতকরা শনাক্ত ও আইনের আওতায় আসবে।
