২৩শে অক্টোবর, ২০২১ ইং | ৭ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | শনিবার | ভোর ৫:১৬

ওলামা লীগই সর্বপ্রথম জুয়ার বিরুদ্ধে কথা বলেছে’

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

ওলামা লীগই সর্বপ্রথম জুয়ার বিরুদ্ধে বলেছে দাবি করে দলটির নেতারা বলছেন,’ ওলামা লীগের সে প্রতিবাদ আমলে নিলে আজকের অবস্থা হতো না। তারা বলেছেন,’প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন জীবিত আছেন ততদিন ওলামা লীগ জীবিত থাকবে।ওলামা লীগ সব সময় সুদুরপ্রসারী ও সত্য এবং সঠিক পরামর্শ দেয়। গত ২১ শে জানুয়ারী ওলামা লীগই সর্বপ্রথম জুয়ার বিরুদ্ধে বলে। ওলামা লীগের সে প্রতিবাদ আমলে নিলে আজকের অবস্থা হতো না। ওলামা লীগই সর্বপ্রথম সিনহার বিরুদ্ধে বলে এবং ওলামা লীগের কথাই সত্য হয়। কাজেই আওয়ামী লীগের প্রাণ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া প্রধানমন্ত্রী স্মেহধন্য ওলামা লীগকে বিশেষ মূল্যায়ন করতে হবে।

রবিবার(২০ অক্টোবর)দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ সহ-সমমাননা ১৩ টি সংগঠনের আয়োজনে মানবন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা বলেন,’পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে আমৃত্যু থাকার অঙ্গীকার করেছে আওয়ামী ওলামা লীগ। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে জননেত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। ইনশাআল্লাহ। শেখ হাসিনার বিকল্প অন্য কাউকে মেনে নিবে না ওলামা লীগ।

তারা বলেন,’বর্তমানে দেশে শিশু-কিশোররাও পর্নোগ্রাফিতে ভয়ঙ্কর আশক্ত। সারা দেশে হাজার হাজার সন্ত্রাসী কিশোর গ্যাংদের অস্তিত্ব ধরা পড়ছে। মারাত্মকহারে বেড়ে চলছে খুন-ধর্ষণ। অন্যদিকে দুর্নীতি, জুয়ায় সয়লাব সারাদেশ। পাশাপাশি দায়িত্বহীনতা ভেজাল, মজুদদারী, অনিয়ম আর বিশৃঙ্খলায় বিপর্যস্থ সারাদেশ ও জনগণ। অথচ ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে এমনটি হওয়ার কথা ছিলনা।

নেতৃবৃন্দ বলেন,’যদি সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ যথাযথভাবে পালন করা হতো তাহলে তার বরকতে সবার মধ্যে ইসলামী চেতনা আসতো এবং সব পাপাচার, অনাচার, ব্যাভিচার, অনিয়ম, ভেজাল, দুর্নীতি বন্ধ হতো। ইনশাআল্লাহ।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের হক্ব দরবার শরীফ; ‘রাজারবাগ দরবার শরীফ’ আমাদের পূর্ব পরিচিত। সহীহ দ্বীন ইসলাম প্রচারে যাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জামাত-শিবির রাজাকার বিরোধী কার্যক্রমে যারা প্রখ্যাত এবং প্রশংসিত। সেই প্রখ্যাত পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফের বিরুদ্ধে কুখ্যাত দুর্নীতিবাজ ফালুর এনটিভি জামাত-শিবির প্ররোচিত হয়ে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।এতে দেশের একটা বিশাল গোষ্ঠীর মানবিক বিপর্যয় ঘটানো হয়েছে। উনাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। কাজেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন,’সারাদেশে রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ৬০ লাখ মুরিদ রয়েছেন। রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি নিজেও সব সময় সত্যের উপর চলেন এবং মুরীদদেরকেও চলতে বলেন। উনার কথা না শুনে যদি কেউ বা কারা কোথায় কি করলো তার দায়ভার রাজারবাগ শরীফের হযরত পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার উপর বর্তায়না। যেমন ক্যাসিনো স¤্রাট ইসমাইল, খালেদ, জিকে শামীম তথা ছাত্রলীগের অভিযুক্ত কর্মকাণ্ডের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে দায়ী করা যায়না।

সমাবেশ ও মানবন্ধনে সমন্বয় করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী,সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি- আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক- হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল জলিল, মাওলানা মুহম্মদ শওকত আলী শেখ ছিলিমপুরী প্রমুখ।

Share.

Comments are closed.