প্রথম দফায় দামে সেঞ্চুরি ছাড়ানো পর দুই সপ্তাহ কিছুটা নিম্নমুখী ছিল পেঁয়াজের দাম। তবে ফের বাড়তে শুরু করেছে পণ্যেটির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকার বেশি দাম বেড়ে ফের ১০০ টাকা ছেড়েছে পেঁয়াজের দাম। সঙ্গে ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়েছে। আগের মতোই চড়া রয়েছে ডিম ও সবজির বাজার।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। অন্যদিকে মান ও আকারভেদে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়, যা ছিল ৭০ থেকে ৭৫ টাকার মধ্যেই।
এদিকে দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।
আর ক্রেতারা বলছেন, বাজারে দেশি বা আমদানি করা দুই ধরনের পেঁয়াজেরই সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতিটি দোকানেই অন্য সময়ের মতোই পেঁয়াজ রয়েছে, যার সিংগভাগই দেশি পেঁয়াজ। তাছাড়া দেশি পেঁয়াজের মজুত হয়েছিল ভরা মৌসুমে। এ কারণে এর দাম ৪ থেকে ৫ গুণ বেড়ে যাওয়ার কোনো কারণই থাকতে পারে না। এদেশে পেঁয়াজ আমদানি করা হয় মূলত প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে। ২৯ সেপ্টেম্বর দেশটি তাদের অভ্যন্তরীণ বাজার নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে এদেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে দর। এক দিনের ব্যবধানেই দেশি পেঁয়াজ ১২০ এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ১০০ টাকায় পৌঁছে যায়।
অথচ মাস দুই আগেও পেঁয়াজের বাজারদর ছিল ৩০ টাকা। বাজার স্বভাবিক করতে মিয়ানমার, মিশরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়। খোলাবাজারে ৪৫ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। কিন্তু কোনো কিছুতেই দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। মাঝে কয়েকদিন দাম কিছুটা কমার পর আবারও বাড়তে শুরু করেছে।
এদিকে মাংসের বাজারেও দুই সপ্তাহ দাম কমার পর বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। শনিবার বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে অন্য মুরগির দাম।
এর মধ্যে কক ও পাকিস্তানি মুরগির প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা এবং লাল লেয়ার মুরগি ২১০-২১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে গরুর মাংস ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি, খাসির ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আগের মতোই বেশ চড়া রয়েছে ডিমের দাম। বাজারভেদে ফার্মের লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়, প্রতি হালি প্রায় ৩৯ থেকে ৪০ টাকা। মুদি দোকানে খুচরায় প্রতিটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। আর দেশি মুরগি ও হাসের ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়।
এদিকে শীত প্রায় আসন্ন হলেও সবজির বাজারে আগাম সবজির দাম বেশ চড়া। দামে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে শিম ও টমেটো। প্রতি কেজির দাম ১০০ টাকার ওপরে রয়েছে এ দুই সবজির। এর মধ্যে শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। পাকা টমেটোর কেজি ১২০ টাকার নিচে মিলছে না। প্রায় কাছাকাছি থাকা গাজর বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। অন্যান্য আগাম সবজি মুলা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, প্রতিটি ছোট আকারের ফুলকপি ও বাঁধাকপি ২৫ থেক ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বছরব্যাপী পাওয়া বিভিন্ন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম বেশ চড়া। এর মধ্যে ঢেঁড়স, পটোল ও কাকরোল ৪৫ থেকে ৫০, ঝিঙা, ধুন্দল ও করলা ৫০ থেকে ৬০, বেগুন ও শসা ৬০ থেকে ৭০, বরবটি ৭০-৮০ এবং কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতি ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়ে আলু ২৫ থেকে ২৮ টাকায় এবং পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অবশেষে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তামিলের জনপ্রিয় তারকা ধানুশের সিনেমা। বহুল প্রতীক্ষিত এ সিনেমার নাম ‘জগমে…
অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে গত ২৬ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে সালমান-দিশা জুটির বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রাধে…
প্রভুদেবা পরিচালিত এবং সালমান খান অভিনীত ব্যাপক আলোচিত সিনেমা ‘রাধে’র ট্রেইলার মুক্তি পেয়েছে বৃহস্পতিবার (২২…
জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকের…
সিরিজের প্রথম টেস্টে সমানে সমান লড়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।…
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় দেশে…