নানা পুষ্টিগুণ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের প্রাচুর্যের কারণে টমেটোর স্বাস্থ্যগত উপযোগিতা নিয়ে কারোই কোনো সন্দেহ নেই। বিশ্বব্যাপী সমাদৃত কৃষিপণ্যটির কদর আরো বাড়িয়ে দিতে যাচ্ছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা। এতে বলা হয়েছে, পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রতিরোধ ও প্রতিকার— দুই ক্ষেত্রেই কার্যকর সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে টমেটোর নির্যাস। খবর সায়েন্স ডেইলি।
টমেটো একই সঙ্গে ফল ও সবজি হিসেবে সমাদৃত। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও ফলিক অ্যাসিড রয়েছে। দৃষ্টিশক্তি ও হজমক্ষমতা বাড়ানোয় এর কোনো জুড়িও নেই। এছাড়া রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করা এবং ডায়াবেটিস ও চামড়ার সমস্যার চিকিৎসায়ও এটি বহুলব্যবহূত।ইতালির অনকোলজি রিসার্চ সেন্টার অব মার্চোগলিয়ানোর (সিআরওএম) বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, পাকস্থলীর ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে টমেটো। তারা দেখিয়েছেন, গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও এসব কোষের ম্যালিগন্যান্ট ক্লোনিং থামিয়ে দেয় টমেটোর নির্যাস।
গবেষকদের বক্তব্য অনুযায়ী, টমেটোর কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির পাকস্থলীর ক্যান্সার কোষের বর্ধণ ও ছড়িয়ে পড়া রোধের যে ক্ষমতা রয়েছে, সেটিকে কেন্দ্র করে প্রাণঘাতী রোগটির কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি গড়ে উঠতে পারে।
মূলত স্যান মারজানো ও করবারিনো প্রজাতির টমেটোর মধ্যে এ গুণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। গত কয়েক বছরে বিশ্বব্যাপী পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব কমে এসেছে। তবে এখনো ক্যান্সারে আক্রান্তদের মধ্যে এতে আক্রান্তের সংখ্যা চতুর্থ সর্বোচ্চে রয়েছে। গবেষণায় উঠে আসা বিষয়বস্তু প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অব সেলুলার ফিজিওলজিতে।
