২৩শে অক্টোবর, ২০২১ ইং | ৭ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | শনিবার | ভোর ৫:৩০

রাজিব কে বাঁচানো গেল নাঃ বাউফলে সমাহিত

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাসপাড়া গ্রামে নানা-নানীর কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন দুই বাসের চাপায় প্রাণ হারানো কলেজছাত্র রাজীব হোসেন।
তিনি রাজধানীর মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতক (বাণিজ্য) তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।
বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া গ্রামে নানা হাচন চৌকিদারের বাড়িতে রাজীবের তৃতীয় নামাজে জানাজা শেষে নানা-নানী ও মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
তৃতীয় জানাজায় ঈমামতি করেন রাজীবের ছোট ভাই হাফেজ মো. মেহেদি হাসান এবং মোনাজাত করেন আরেক ছোট ভাই মো. আব্দুল্লাহ। তার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরপরই স্বজনরা নানা-নানীর কবরের পাশেই নতুন কবর খুঁড়ে রাখেন।
বাউফল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, বুধবার সকাল ৯টার দিকে বাউফল সদরের পাবলিক মাঠে রাজীবের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এমপি, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মো. মাসুমুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. মাঈনুল হাসন, রাজীবের ছোট দুই ভাই মেহেদি হাসান ও আবদুল্লাহসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার দুপুরে জোহর নামাজের পর হাইকোর্ট মসজিদে রাজীবের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে রাজীবের মরদেহ নানার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফলের দাসপাড়ায় পৌঁছায়। গ্রামে লাশ পৌঁছার পরই শুরু হয় শোকের মাতম।
গত ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার কাছে বিআরটিসির একটি দ্বিতল বাসের পেছনের ফটকে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন রাজীব। বাসটি হোটেল সোনারগাঁওয়ের বিপরীতে পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ পেছন থেকে স্বজন পরিবহনের একটি বাস বিআরটিসির বাসটিকে গা ঘেঁষে অতিক্রম করতে থাকে। এ সময় দুই বাসের চাপে গাড়ির পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা রাজীবের ডান হাত কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।  সোমবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাজীব হোসেন মারা গেছেন।
Share.

Comments are closed.