নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে স্বামী মারা যাওয়ার পর বলেছিলেন যা হারিয়েছি তা অপূরণীয়। কোনো
তা আর পূরণ হওয়ার নয়।
বেঁচে থাকাটা তাই হয়তো নিরর্থক হয়ে উঠেছিল আকষ্মিক দুর্ঘটনায় প্রিয়তমকে হারানো আফসানা খানম টপির জন্য। শুভ্র মেঘ ছুঁয়ে এসে নেপালের ত্রিভুবন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস বাংলার ফ্লাইটের ৫০ যাত্রী ও ক্রুর সঙ্গে প্রাণ হারিয়েছিলেন ওই উড়োজাহাজের ক্যাপ্টেন ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানও।
এ দুর্ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যে স্ট্রোক করেন টপি। এরপর থেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হাসপাতালে।
বিমান দুর্ঘটনায় নিহত যাত্রীদের জন্য একদিকে সারা দেশে যখন চলছিল শোক, তখন হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ছিলেন আফসানা খানম টপি। টপির অবস্থার উন্নতি হয়েছে- স্বজনরা এমন খবরের অপেক্ষায় থাকলেও চিকিৎসকরা ভালো খবর দিতে পারছিলেন না।
২২ মার্চ তিনি আরও খারাপ খবর জানান। বলেন, টপির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তার কিডনি রেসপন্স কম করছে। ব্লাড প্রেসারও কমে গেছে। উন্নত যা চিকিৎসা দেশেই সম্ভব। বিদেশে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থাতেই নেই টপি।
এরপর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় এল সবচেয়ে খারাপ খবরটি। এই পৃথিবী ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন টপি।
প্রফেসর ড. বদরুল আলম মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। টপির মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ভিড় করেছেন তার স্বজনরা।
