তামিম আহমেদ
নগরীর মানুষগুলো চাঁদ অভুমুখে যাত্রা করেছে।
আমি হাঁটছি উল্টা দিকে; তাই বলে চাঁদ বিমুখ নই,
হাহাকার জাগানো হলদে অন্ধকার আলোতে ধরেছে।
চাঁদের আলোটা কোথায় শেষ হয় দেখব, হাতে সুঁই।
হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে মাটিতে বসেছি, পাচ্ছিনা।
আলোটা যেখানে শেষ হবে, চোখ সেলাই করার কথা
সেখানে। একটা দালান জেগে উঠল, আমি বোকা ভয়ে
সেখানে শুয়ে পড়লাম, দালানের ছাদে আর তখন
হঠাত মুখের সামনে দেখি একটা গোল চাঁদ। সেই
চাঁদের আলো আমার মাথায় পয়তাল্লিশ ডিগ্রী কোণ
এঁকে দিয়ে বেঁকে চলে যায়। কোথায় যেন, কোথায় যেন।
আমি শব্দ হয়ে যাই, শব্দের সর্দার। নিমিষেই তাই
নগরীকে চুপ করিয়ে দিয়ে বাতাসটাই হয়ে যাই।
এবার উপরে যেতে থাকি; চাঁদ ছোঁব, আমি চাঁদ ছোঁব।
তখনই আবার মানুষ হয়ে গেলাম, পড়ে যাচ্ছি তো!
এতো উঁচু থেকে পড়ে যাচ্ছি, মারা পড়ব? মারা পড়ব।
তাতে কি! নগরীর মানুষদের মধ্যে আমিই প্রথম
এতোটা কাছ থেকে চাঁদ দেখেছি, কিন্তু একটা ব্যাপার
ভাবছি, আমিও তবে চাঁদ অভিমুখী হয়েই মরছি?
