পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমারে তার
সফর শুরু করেছেন, যে দেশটির বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা মুসলমানদের জাতিগত নিধনের অভিযোগ রয়েছে।।
এই সফরের সময় তিনি ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি মুখে আনেন কিনা, তা অনেকেই জানতে চাইবেন। মিয়ানমারের সরকারি লোকজন এই শব্দটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।এখন পোপ যদি তার সফরে এই শব্দটি ব্যবহার করেন, তাহলে বৌদ্ধ-প্রধান মিয়ানমারে এ নিয়ে গোলযোগ বেধে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই সফরের সময় পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমারের কার্যত নেতা অঙ সান সুচি এবং সে দেশের সামরিক বাহিনীর প্রধানের সাথে দেখা করবেন।
এরপর তিনি বাংলাদেশে যাবেন।
এই সফরের সময় শুক্রবার ঢাকায় রোহিঙ্গাদের একটি ছোট প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পোপের দেখা করবার কথা রয়েছে।পোপকে রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার না করার পরামর্শটি এসেছে মিয়ানমারের কার্ডিনাল আর্চবিশপ চার্লস মোং বো’র কাছ থেকে।
সাধারণত এ ধরণের পরামর্শে কখনো পোপের কান দেয়ার নজির নেই।
কিন্তু এক সময় বার্মা নামে পরিচিত মিয়ানমারে প্রথমবারের মত কোন পোপের সফরে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়াতে চায় ভ্যাটিকান।
পোপকে একই পরামর্শ দিয়েছিলেন সাবেক জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনানও।
দেশটিতে ৬ লাখ ৬০ হাজার ক্যাথলিক খ্রিস্টান বাস করে। বুধবার ইয়াঙ্গন শহরে এক উন্মুক্ত সমাবেশে পোপ উপস্থিত থাকবেন।
এ ছাড়া তিনি বৌদ্ধ নেতাদের সাথেও দেখা করবেন।
ভ্যাটিকানের কর্মকর্তারা বলছেন, পোপ মিয়ানমার সফরের সময় মৈত্রী পুন:প্রতিষ্ঠা এবং সঙ্কট সমাধানের জন্য সংলাপের ওপর জোর দেবেন।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত তিন মাসে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
