৯৩ বছর বয়সী মুগাবের চেয়ে বয়সে ৪১ বছরের ছোট গ্রেসকে তিনি বিয়ে করেছিলেন ১৯৯৬ সালে। সময়ের পরিক্রমায় তিনি উঠে আসেন জিম্বাবুয়ের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং নিজেও লড়াইয়ে নেমেছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাওয়ার সাথে। যার ফলশ্রুতিতে শেষ পর্যন্ত মানাঙ্গাগওয়াকে বরখাস্ত করেন প্রেসিডেন্ট মুগাবে। আর সেটিই শেষ পর্যন্ত তাকে পদত্যাগে বাধ্য করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। কিন্তু কে এই গ্রেস মুগাবে? কি করে তিনি জিম্বাবুয়ের ক্ষমতার লড়াইয়ের অন্যতম চরিত্রে পরিণত হলেন?
৪১ বছরের বড় মুগাবের সাথে যখন প্রেম শুরু করেন তখন তিনি মূলত স্টেট হাউজের একজন টাইপিস্ট। মুগাবে তখন বিবাহিত ছিলেন। যদিও তার স্ত্রী স্যালি তখন অসুস্থ ছিলেন এবং ১৯৯২ সালে মারা যান। ১৯৯৬ সালে জাঁককজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রেসকে বিয়ে করেন মুগাবে। মুগাবে ও গ্রেস দম্পতির তিন সন্তান। গুচ্চি গ্রেস তার ডাক নাম। বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য তিনি সমালোচিত। ২০১৪ সালে ক্ষমতাসীন জানু পি-এফ পার্টির মহিলা শাখার প্রধান করা হয়। ডিসেম্বরে তাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করার কথা শোনা যাচ্ছিলো। ২০১৭ সালে একজন মডেলকে নিগ্রহ করার ঘটনায় অভিযুক্ত হন গ্রেস। ইউনিভার্সিটি অফ জিম্বাবুয়ে থেকে সমাজবিজ্ঞানে তার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। জিম্বাবুয়ের ধনাঢ্য এলাকাগুলোতে তার ব্যাপক সম্পদ রয়েছে। রবার্ট মুগাবের মতো গ্রেস মুগাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে এখন রবার্ট মুগাবের পদত্যাগের ঘোষণার পর গ্রেস মুগাবের ভবিষ্যত্ কি হয় সেদিকেও দৃষ্টি রয়েছে অনেকের।

