২৩শে অক্টোবর, ২০২১ ইং | ৭ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | শনিবার | ভোর ৫:৩৪

চট্টগ্রাম বন্দরকে ২১০০ সালের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

চট্টগ্রাম বন্দরকে ২১০০ সালের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। যাতে আমাদের আগামী প্রজন্ম এর সুফল পেতে পারেন। বর্তমানে বন্দরকে আরো গতিশীল করতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ।

আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম খালেদ ইকবালের সভাপতিত্বে আয়োজিত চট্টগ্রাম বন্দরকে আরো গতিশীল ও কর্মক্ষম করতে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে নৌ-পরিবহণ সচিবের তত্ত্বাবধানে বন্দর, কাস্টমস ও চেম্বার প্রতিনিধির সমন্বয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি তিন সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশমালা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেবেন। সেই অনুযায়ী অ্যাকশন প্লান তৈরি করে বন্দরের কার্যক্রমে আরো গতি আনা হবে।

তিনি সভায় উপস্থিত নৌ-পরিবহন সচিবকে সুপারিশমালার কার্যক্রমগুলো প্রতিমাসে এসে তদারকি করার অনুরোধ করেন।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে, চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের বাণিজ্য নগরী। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। নানারকম কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে এবং হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বন্দর থেকে বিশাল পরিমাণের রাজস্ব আয় হচ্ছে। এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য অনেক টাকা লাগবে। কিন্তু কেউ কাউকে টাকা দিতে পারবে না। যার যার টাকা নিজেই অর্জন করতে হবে। এজন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক জোনের কথা বলেছেন। এতে নানাভাবে অনেক উৎপাদন হবে, কর্মসৃজন হবে, আমদানি-রপ্তানি হবে।

এই বন্দরকে গতিশীল করা বন্দর কর্তৃপক্ষের একার সম্ভব নয়। বন্দরকে গতিশীল করতে হলে প্রত্যেক স্টেইকহোল্ডারকে এগিয়ে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেন, একটি রাজস্ববান্ধব কাঠামো গঠন করা হচ্ছে। মানুষ এখন গর্ব করে কর প্রদান করছে। চট্টগ্রাম বন্দর এবং কাস্টমস যেহেতু দেশের অন্যতম রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠান, সেহেতু বন্দর-কাস্টমসের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে নৌ-পরিবহন সচিব আবদুস সামাদ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। বন্দর আগের চেয়ে অনেক গতিশীল হচ্ছে। দেশে আমদানি রপ্তানির মাত্রা বাড়ছে। সে হারে বন্দরের কর্মক্ষমতাও বাড়াতে হবে। এজন্য নতুন নতুন জেটি নির্মাণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেয়া হয়েছে।

সভায় বক্তব্য রাখেন চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন সভাপতি একেএম আকতার হোসেন, বিজেএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মঈন উদ্দিন মিন্টু, বিএসআরএম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীরালী হোসেন, কাস্টমসের সদ্য বিদায়ী কমিশনার এএফএম আবদুল্লাহ খান, অতিরিক্ত কমিশনার ড. নাহিদা ফরিদী, বিকডা সেক্রেটারি রুহুল আমিন বিপ্লব প্রমুখ। এর আগে সভায় বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম নিয়ে তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

Share.

Comments are closed.