সৌদি দূতাবাস কর্মক
র্তা খালাফ এস আলী হত্যা মামলায় আসামি সাইফুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তিন আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল রেখেছে আদালত। এরা হলেন- মো. আল আমীন, আকবর আলী লালু ও রফিকুল ইসলাম। রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের সকল আপিল খারিজ করে দিয়ে গতকাল বুধবার এই রায় দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সেলিম চৌধুরীকে খালাসের হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।
র্তা খালাফ এস আলী হত্যা মামলায় আসামি সাইফুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তিন আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল রেখেছে আদালত। এরা হলেন- মো. আল আমীন, আকবর আলী লালু ও রফিকুল ইসলাম। রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের সকল আপিল খারিজ করে দিয়ে গতকাল বুধবার এই রায় দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সেলিম চৌধুরীকে খালাসের হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, আপিল বিভাগ চারটি আপিল খারিজ করে দিয়েছে। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রইল। তিনি বলেন, সরকার চাইলে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হবে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুলের আইনজীবী সিকদার মকবুল হক বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় না দেখে বলা যাবে না কোন যুক্তিতে আদালত আপিল খারিজ করেছে। রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি পাওয়ার পর মক্কেলের সঙ্গে আলোচনা করে রিভিউ করা হবে কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২০১২ সালের ৫ মার্চ মধ্যরাতের পর ঢাকার গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কে নিজের বাসার অদূরে গুলিবিদ্ধ হন খালাফ আল আলী (৪৫)। পরদিন ভোরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় করা হত্যা মামলায় আসামি আল আমীন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, সাইফুলসহ বাকি চারজন ওই রাতে খালাফকে ঘিরে ধরেন এবং তার কাছে ডলার চান। ডলার না দেওয়ায় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে সাইফুল তার হাতে থাকা রিভলবার দিয়ে খালাফকে গুলি করে পালিয়ে যান। এই মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর এক রায়ে পাঁচ আসামির সবাইকেই মৃত্যুদণ্ড দেন। ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্ট এক রায়ে আসামি সাইফুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। এছাড়া আসামি মো. আল আমীন, আকবর আলী লালু ও রফিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। খালাস দেওয়া হয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সেলিম চৌধুরীকে।
