নারায়ণগঞ্জের ফতু
ল্লায় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। একটি রুমে আটকে রেখে ৭/৮ সহযোগীর সহায়তায় মকবুল (২০) নামে এক বখাটে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। বুধবার বিকালে ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী টাগারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটলেও রাত ১১টায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা হলে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। হাসপাতালে ধর্ষিতার প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার বড় ভাই বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ ধর্ষণ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মকবুলের সহযোগী সাইফুল ইসলাম রাসেল (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত রাসেল ফতুল্লার গাবতলী টাগারপাড় এলাকার হাজী সালাউদ্দিনের ছেলে।
মামলার বাদী ধর্ষিতার বড় ভাই জানান, তার বোন ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার বিকালে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা খালাতো ভাইকে তার ছোট বোন বিদায় দিয়ে বাসায় ফেরার পথে টাগারপাড়স্থ সালাউদ্দিনের বাড়ির সামনের রাস্তায় পৌঁছায়। এ সময় কিছু বুঝে উঠার আগেই গাবতলী টাগারপাড়ের তাইজুল হক বেপারীর ছেলে মকবুলসহ তার সহযোগী রাসেল, গাফ্ফার, আসিফ, মুন্নাসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন মিলে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে রাসেলের ভাড়াটিয়া বাড়ি মকবুলের বাসায় আটকে রাখে। পরে সহযোগীরা বাসার বাইরে অবস্থান করে পাহারা দেয় এবং মকবুল তাকে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে তাকে আহত অবস্থায় ফেলে তারা চলে যায়। এ সময় ধর্ষিতার চিৎকারে ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া এক মহিলা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০শ’ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে বাড়িতে খবর দেয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধর্ষকের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধর্ষক ও তার বাকি সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী অসুস্থ হওয়ায় তাকে চিকিৎসা করানো হচ্ছে।
রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুল ছাত্রী ধর্ষন
Share.
