নবম ওয়েজবোর্ড গঠনের বিষয়ে অর্থ
মন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আজ মঙ্গলবার যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সভাপতি শওকত মাহমুদ ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান আজ গণমাধ্যমে এক প্রতিবাদ বিবৃতি পাঠিয়েছেন।
বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা বলেন, সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিক সমাজের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ওয়েজবোর্ড সম্পর্কে যে তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য ও আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন তা অত্যন্ত দুঃখজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। সংবাদপত্রের সংখ্যা ও সাংবাদিকদের বেতন স্কেল সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করার সময় অর্থমন্ত্রী সভ্যতা-ভব্যতা ও শালীনতার সব সীমা লঙ্ঘন করেছেন বলে আমরা মনে করি। বক্তব্যে সংবাদপত্র জগৎ সম্পর্কে তাঁর অজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে যা অত্যন্ত পীড়াদায়ক।
সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকদের অষ্টম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার পর প্রায় পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হতে চলেছে। এরই মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর ফলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দফায় দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির দাম বাড়িয়ে চলেছে সরকার। বাড়িভাড়া, পরিবহন খরচসহ অন্যান্য ব্যয়ও বাড়ছে লাগামহীনভাবে। এমতাবস্থায় সাংবাদিক সমাজসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহার করে সাংবাদিকদের কাছে অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চলতি মাসের মধ্যে নবম ওয়েজবোর্ড গঠনের দাবি জানান। ওয়েজবোর্ড গঠনে নোয়াব বরাবরের মতো এগিয়ে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন সাংবাদিক নেতারা।
বিএফইউজের প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়েছে।
