ও মা-মেয়েকে নির্যাতনের ঘটনায় দুই মামলার প্রধান আসামি শ্রমিক লীগের বহিষ্কৃত নেতা তুফান সরকার ও কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকির জামিন আবেদন না-মঞ্জুর করা হয়েছে। তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আসামিদের কারাগারের গেইটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল রবিবার বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শ্যামসুন্দর রায়ের আদালত এই নির্দেশ প্রদান করে।এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ তুফান ও রুমকিকে আদালতে হাজির করে আরো পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, তুফানকে তিন দফায় সাত দিন এবং রুমকিকে দুই দফায় ছয় দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তুফান ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ এবং রুমকি মা-মেয়েকে নির্যাতন ও মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। গত শুক্রবার বগুড়ার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোহা. আহসান হাবিবের আদালতে তুফান সরকারের সহযোগী মুন্না স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এরআগে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে তুফানের আরেক সহযোগী আতিক এবং নাপিত জীবন রবিদাস।
এদিকে, বগুড়ায় শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও মা-মেয়েকে নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, বগুড়া জেলা ইউনিট। গতকাল দুপুরে বগুড়া জেলা জজ আদালতের সামনের সড়কে এই মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
