১৯৭৫ সালে
র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার যে ঘটনা ঘটেছিল তা জনগণের কাছে আকস্মিক মনে হলেও আসলে বিষয়টি ছিল দীর্ঘদিনের একটি গোপন পরিকল্পনা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী যারা এবং পাকিস্তানের দালাল যারা তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের রাজনীতি। তারা চায়নি যে এই স্বাধীন দেশটি নিজের পায়ে দাঁড়াক। এতদিনের বিভিন্ন তদন্ত এবং তারপর ১৯৯৬ সালের পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার ও শাস্তি সবই দেশবাসী জানতে পেরেছে কারা সেই ঘৃণ্য হত্যাকারী। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এবং আওয়ামী লীগের একজন প্রথম সারির নেতা খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, যে ছিল স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রকারী এবং বিশ্বাসঘাতক তা আজ সবার কাছে পরিষ্কার।
র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার যে ঘটনা ঘটেছিল তা জনগণের কাছে আকস্মিক মনে হলেও আসলে বিষয়টি ছিল দীর্ঘদিনের একটি গোপন পরিকল্পনা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী যারা এবং পাকিস্তানের দালাল যারা তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের রাজনীতি। তারা চায়নি যে এই স্বাধীন দেশটি নিজের পায়ে দাঁড়াক। এতদিনের বিভিন্ন তদন্ত এবং তারপর ১৯৯৬ সালের পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার ও শাস্তি সবই দেশবাসী জানতে পেরেছে কারা সেই ঘৃণ্য হত্যাকারী। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এবং আওয়ামী লীগের একজন প্রথম সারির নেতা খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, যে ছিল স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রকারী এবং বিশ্বাসঘাতক তা আজ সবার কাছে পরিষ্কার।বাঙালি জাতির সত্যি দুর্ভাগ্য সেই ১৭৫৭ সালের বাংলার স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র এবং তাকে হত্যা করে বাংলার স্বাধীনতা হরণ করে মীরজাফরগণ ক্ষমতায় বসেছিল। ২৫০ বছর পর একই পুনরাবৃত্তি। যা বাঙালির জন্য দুর্ভাগ্য। এরপর যারা ক্ষমতায় এসেছিল খন্দকার মোস্তাক, স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান, স্বৈরশাসক এরশাদ এবং বিএনপি ও জামায়াত এক হয়ে যে ক্ষমতায় এসেছিল, ওরাও যে বাঙালির সংস্কৃতির ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ছিল, এটাও এখন জনগণের কাছে পরিষ্কার। তারা স্বাধীনতার পক্ষে নয়, জনগণের পক্ষে নয়, তারা শুধু ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে পাকিস্তানিদের শাসন ও শোষণে নিয়ে যাবার জন্যই দীর্ঘকালীন এই বাংলাদেশের জনগণকে এক দুর্বিষহ কাল উপহার দিয়েছিল। এরা হত্যা করেছে, লুণ্ঠন করেছে, স্বাধীনতার পক্ষের লোকদেরকে হত্যা করে এক দুর্বিষহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল।
বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা এবং স্বাধীনতার পক্ষের যে দল আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সমমনা দলগুলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে জনগণের ভোটে জিতে এবং দুর্বিষহ জীবন থেকে উদ্ধারের নতুন যাত্রা শুরু করে। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে আমাদের প্রবৃদ্ধিও বেড়ে যাচ্ছে। মানুষের ঘরে এখন খাবার আছে, শিক্ষা, শিল্প ও বাণিজ্যে বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটেছে ও অর্থনৈতিক মুক্তিতে দেশের জনগণ আশার আলো দেখছে।
জামায়াত-রাজাকার, আলবদর-আলসামস যারা ত্রিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে, অসংখ্য মা-বোনের ইজ্জত হরণ করেছে, সেইসব হত্যাকারীদের বঙ্গবন্ধুর কন্যা বিচারের কাঠ গড়ায় দাঁড় করিয়ে শাস্তি দিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা আজ ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত। সেই বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরের মতো মোস্তাক আহমেদ এবং তার দলবল যতদিন বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে, মানুষের ঘৃণা ছাড়া কেহই তাদের জন্য একটি ভাল শব্দ উচ্চারণ করতে পারে না। তারা মানুষ তো নয়ই, পশুরও অধম। ওরা ঘৃণ্য, কীট এই বিষাক্ত লোকগুলোর দোষররা এখনো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছদ্মবেশে, কখনো সুজনদের ছদ্মবেশে আবার ক্ষমতায় আসার নানা রকম পাঁয়তারা করছে। জনগণকে সচেতন থাকতে হবে। এইসব নরাধম ও ঘৃণ্য কীটরা এভাবেই এদেশের রাজনীতিতে ও ক্ষমতায় আসতে না পারে।
সামনেই আমাদের নির্বাচন। জনগণ সেই নির্বাচনকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নিয়ে আসা এবং এখানে শেখ হাসিনার মতো নেতৃত্বের আর কোনো বিকল্প নেই।
আমি মনে করি, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী সেই নৌকাকেই আগামী নির্বাচনে আবার ক্ষমতায় নিয়ে আসবে। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
হাশেম খান
[লেখক :চিত্রশিল্পী]
