বাংলাদেশে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং গবেষণা ইন্সটিটিউট এর মহাপরিচালক মিরযাদি সাবরিনা ফ্লোরা বলছেন, রোগটি এখনো সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি কারণ এখনো সকল নমুনা সংগ্রহ করে তার ল্যাব টেস্ট শেষ হয়নি।
তিনি বলছেন, “পরীক্ষার জন্য রক্তের নমুনা, লালা সংগ্রহ করা হয়েছে। নাকের ভেতর থেকে সোয়াব করে নমুনা নেয়া হয়েছে। এগুলোর নানা ধরনের পরীক্ষা চলছে। সকল তথ্য কম্পাইল করে আমরা কনক্লুসিভ কোন সিদ্ধান্তে পৌছাই নি”
তাতে কতদিন সময় লাগবে সেটি এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছেন আইইডিসিআর-এর মহাপরিচালক।
যে দুটি পাড়া থেকে রোগীরা এসেছেন সে দুটি পাড়াই ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বসতি প্রধান এবং বেশ প্রত্যন্ত অঞ্চলে। আইডিসিআরের মহাপরিচালক আরো বলছেন, তাদের জীবনাচরণের নানা দিকও গবেষণা করা হচ্ছে।
তিনি বলছেন, “তাদের খাবারের ইতিহাস, আশপাশে তারা কোথায় গেছে, এলাকাটা কেমন, সেখানকার পানি কেমন এরকম জীবনাচরণের বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে। আর তারা যেহেতু একটি বিশেষ নৃগোষ্ঠীর মানুষ তাই তাদের জীবনাচরণ, বিশ্বাস, এসব তথ্যও নেয়া হচ্ছে। এছাড়াও তারা কেনো হাসপাতাল গেলো না। কেন তারা বিষয়টি জানাতে দেরি করলো ইত্যাদি নানা বিষয় বোঝার চেষ্টা চলছে।”
হাসপাতালে ভর্তি অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠলেও রোগটি শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল শিশুকে হাসপাতালে রেখে দিতে বলা হয়েছে।বিবিসি