ভারী বর্ষা
ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভাসছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। বুধবার ভোরে ফের নতুন করে প্লাবিত হয়ে পড়েছে উপজেলার উপকুলের সাত ইউনিয়ন। এই কারণে বদরখালী, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী, বিএমচর, পূর্ববড় ভেওলা, পশ্চিম বড়ভেওলা ও সাহারবিল ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ নতুন করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
বসতঘরে ঢলের পানি ঢুকে পড়ার কারণে দুর্গত এসব এলাকার জনসাধারণ রাস্তার ওপর পলিথিনের ঘর তৈরি করে তাঁতে আশ্রয় নিয়েছেন। বর্তমানে দুর্গত জনপদের মানুষের মাঝে শুকনো খাবার ও পানীয় জলের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
এদিকে দুর্গত এলাকার সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য বুধবার সকালে চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো.আলী হোসেন। তিনি উপজেলার কাকারা, পৌরসভার ভাঙ্গারমুখ, ঘুনিয়াসহ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় অংশ নেন। এসময় অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক চকরিয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, ভারী বর্ষা এখনো অব্যাহত রয়েছে। বুধবার সকালের দিকে উপজেলার উপকুলের সাত ইউনিয়ন নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে দেড় লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ওই টাকায় শুকনো খাবার চিড়া, চিনি ক্রয় করে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দুর্গত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা আরো বরাদ্দ পাওয়া যাবে।’