গত সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা
স্বরাজ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরকালে তিস্তার বদলে তোর্সাসহ চারটি নদীর পানিবণ্টনের বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সে সময়ে ভারত সরকার মমতার প্রস্তাবকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না বলেই জানিয়েছিল। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যৌথ বিবৃতিতেও এ প্রস্তাবের উল্লেখ ছিল না। কিন্তু দু’মাসের মধ্যেই মত বদল করে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ জানিয়েছেন, মমতার প্রস্তাবের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হবে। সমীক্ষা শেষে মমতার সঙ্গে কথাও বলতে চায় কেন্দ্র। সেই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিস্তা নিয়ে ভারত সরকার মমতাকে সঙ্গে নিয়েই এগোবে। সুষমা স্বরাজ বলেছেন, তিস্তা চুক্তির কোনো সময়সীমা বাঁধা সম্ভব নয়। রাজ্যকে সঙ্গে নিয়েই স্থলসীমান্ত চুক্তি হয়েছে। তিস্তা নিয়েও রাজ্যের সঙ্গে ঐকমত্য হবে বলে তিনি আশাবাদী। সম্প্রতি মমতা দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নালিশ করেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে বয়ে আসা নদীগুলোতে বাঁধ দিয়ে পানি আটকে রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, বাংলাদেশের দূষণে চূর্ণি নদীর পানি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। মমতা আরো অভিযোগ করেছিলেন, বাংলাদেশ একদিকে ইলিশ আসা বন্ধ করেছে, অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের আম রপ্তানিতে বাড়তি কর বসিয়েছে। ফলে মার খাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের আমচাষিরা। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মমতার উদ্বেগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা যতটা পারি নিরসনের চেষ্টা করবো।
পানি বন্টন প্রশ্নে মমতার বিকল্প ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিচ্ছে ভারত সরকার
Share.
