পালিয়ে গিয়ে
ও রক্ষা পেলেন না চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী আব্দুল কুদ্দুস। এক মামলায় আগাম জামিনের জন্য তিনি হাইকোর্টে এসেছিলেন। হাইকোর্ট তার জামিনের আবেদন গ্রহণ না করে তাকে আটক করতে পুলিশকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদালতের আদেশ বুঝতে না পেরে আইনজীবীরা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেন। বিষয়টি বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি এএনএম বশির উল্লাহ-এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের নজরে এলে আইনজীবীকে তলব করেন। ইতোমধ্যে আসামি পালিয়ে যায়। আদালতের তলবে সিনিয়র আইনজীবী বাসেত মজুমদারসহ সংশ্লিষ্ট অন্য আইনজীবী জানান, তারা হাইকোর্টের আদেশ বুঝতে পারেননি। এ পর্যায়ে আদালত সংশ্লিষ্ট আইনজীবী রেজাউল করিমের উদ্দেশে বলেন, পলাতক আসামিকে হাজির করতে না পারলে আসামির বদলে আপনাকে কারাগারে যেতে হবে। তখন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন আসামিকে হাজিরার জন্য সময় প্রার্থনা করেন। প্রায় আধাঘণ্টা পর আসামিকে ডেকে এনে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে আদালত আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ একেএম মনিরুজ্জামান কবির উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিররণ থেকে জানা যায়, চট্টগ্রামের বায়েজীদ বোস্তামী থানার ব্যবসায়ী নাজিমুদ্দিনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন জালালাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস। এ ঘটনায় গত ১২ এপ্রিল ওই থানায় কুদ্দুসসহ ২৮ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। এই মামলায় আগাম জামিন নিতে হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করেন ওই আসামি।