চট্টগ্রাম বন্দ
র দিয়ে কোকেন আমদানি চোরাচালান মামলায় আট জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। আজ রোববার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মাসুদ পারভেজের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপকমিশনার কামরুজ্জামান এই অভিযোগপত্র জমা দেন।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার নির্মলেন্দু বিকাশ চৌধুরী বলেন, রোববার বিকেলে কোকেন চোরাচালান মামলায় আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগপত্রের গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে সোমবার আদালতে শুনানি হবে।
মাদক মামলার পর চোরাচালানের মামলার অভিযোগপত্রে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের মালিক নূর মোহাম্মদকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। যদিও তিনি এ মামলায় কারাগারে আটক রয়েছেন।
চোরারচালান মামলার অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়েছে খানজাহান আলী লিমিটেডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তাফা সোহেল, আবাসন ব্যবসায়ী মো. মোস্তাফা কামাল, আইটি বিশেষঞ্জ মেহেদি আলম, লন্ডন প্রবাসী ফজলুল রহমান ও বকুল মিয়া, মণ্ডল গ্রুপের কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, সিঅ্যান্ডএফ কর্মকর্তা সাইফুল আলম, কসকো শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক এ কে এম আজাদকে।
লন্ডন প্রবাসী ফজলুল রহমান ও বকুল মিয়া পলাতক, সাইফুল আলম জামিনে রয়েছেন। বাকি পাঁচ আসামি চট্টগ্রাম কারাগারে রয়েছেন।
২০১৫ সালে ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা সূর্যমুখী তেলের কন্টেইনারে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। গত বছর কোকেন আমদানির ঘটনায় মাদক ও চোরাচালানের অভিযোগে দুটি মামলা করা হয়।
