২৩শে অক্টোবর, ২০২১ ইং | ৭ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | শনিবার | রাত ৪:৫৮

জোড়া আত্মহননকারীদের মামলা তদন্ত করবে মানবাধিকার কমিশন

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

গাজী পুরের জোড়া আত্মহননকারী কিশোরী মেয়ের পরিবার অভিযোগ করেছে, একমাত্র মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে, এমন অভিযোগ নিয়ে পুলিশ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে ধর্না দিয়ে কোন বিচার না পেয়ে গত শনিবার বাবা এবং মেয়ে গাজীপুরে একসাথে ট্রেনের নীচে ঝাঁপিয়ে পড়ে।মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বলেছেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

তবে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করছে।

বাবা হযরত আলীর আট বছর বয়সের পালিতা কন্যা আয়েশা আক্তারকে নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুর রেলস্টেশনের কাছে ট্রেনের নীচে কাটা পড়েন গত শনিবার রাতে।তাদের বাড়ি শ্রীপুর উপজেলারই কর্ণপুর গ্রামে।

নি:সন্তান দম্পতি হযরত আলী এবং হালিমা বেগম মাত্র একদিন বয়স থেকে আয়েশা আক্তারকে নিজেদের কাছে নিয়ে লালন পালন করতেন।মেয়েটি স্থানীয় একটি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়তো।দিনমজুর হযরত আলীর স্ত্রী হালিমা বেগম যে মামলাটি করেছেন তাতে তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সাহায্য না পেয়ে তাঁর স্বামী মেয়েকে নিয়ে টেনের নীচে ঝাঁপ দেয়ার পথ বেছে নেন।

হালিমা বেগমের বাড়িতে গিয়ে তাঁর এবং গ্রামবাসীর সাথে কথা বলেছেন স্থানীয় সাংবাদিক মাসুদ রানা।

তিনি বলছিলেন, “হালিমা বেগম আমাকে জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে প্রতিবেশী এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করতো এবং কয়েকবার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা স্থানীয় মেম্বারের কাছে বিচার চেয়েছিলেন। কিন্তু মেম্বার তাচ্ছিল্য করে তাড়িয়ে দেন।”

তিনি বলেন, “পুলিশের কাছেও অভিযোগ করেছিলেন তারা । তাদের অভিযোগ করার কথা জানাজানি হওয়ার পর প্রতিবেশীরা হয়রানি করা বাড়িয়ে দিয়েছিল। এমন অবস্থায় বিচার না পেয়ে বাবা মেয়েকে নিয়ে ট্রেনের নীচে ঝাঁপ দিয়েছে।” বিবিসি

Share.

Comments are closed.